শিরোনাম :
গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগের আর কোনো স্থান এ দেশে হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চলতি বছর দিনাজপুরে বিজিবির অভিযানে সাড়ে ৪৫ কোটি টাকার পণ্য উদ্ধার ৭ শর্ত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরানের পারমাণবিক প্রস্তাব দেশের রিজার্ভ এখন ৩৪ বিলিয়ন ডলার রুমার দুর্গম পাহাড়ে যাতায়াত সহজ করতে সেনাবাহিনীর ‘সম্প্রীতি এক্সপ্রেস’ ৭ নভেম্বরের নেতৃত্বে জিয়াউর রহমান না থাকলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব থাকত না: সাখাওয়াত ৭ নভেম্বরের চেতনায় ভীত হয়ে দিবসটি পালন বন্ধ করেছিল শেখ হাসিনার সরকার: রিজভী বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের পাঁচ জাহাজের নতুন নাম নারায়ণগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ-ছাত্রলীগের ৪২ জনের নামে মামলা মুন্সীগঞ্জে ৩৪ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন

৭ শর্ত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরানের পারমাণবিক প্রস্তাব

প্রতিনিধির নাম / ৩ বার পাঠ করা হয়েছে
আপডেট : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬

বগুড়া নিউজ ২৪: যুদ্ধ শেষ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পারমাণবিক কর্মসূচিবিষয়ক প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান। কাতারের মাধ্যমে পাঠানো ওই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার আগে ওয়াশিংটনকে ৭টি শর্ত পূরণের দাবিও জানিয়েছে তেহরান।

ইরানের স্পষ্ট বার্তা, শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খোলা হবে না এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনাও হবে না। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে রাজি হননি তিনি।

মূলত যুদ্ধের অবসান ঘটাতে মধ্যস্থতাকারীরা সাম্প্রতিক সময়ে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর আবারও সংঘাত শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এছাড়া ইরানে সামরিক অভিযান আবার শুরু করার সম্ভাবনাও নাকচ করেননি। অন্যদিকে যুদ্ধ পুনরায় শুরু হলে আরও বড় পরিসরে পাল্টা হামলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে ইরান।

এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার রাশিয়া সফরের সময় ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহসেন রেজায়ি বলেন, ‘কূটনীতির বিষয়ে আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে সাতটি শর্ত জানিয়েছি। তারা আমাদের সাতটি শর্ত পূরণ না করা পর্যন্ত আমরা হরমুজ প্রণালি খুলব না, আলোচনাতেও বসব না।’

ইরানের শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে— যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দ করা ইরানি সম্পদ ছেড়ে দেয়া এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদান। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হলো, যেকোনো প্রাথমিক আলোচনায় পারমাণবিক ইস্যু অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। জবাবে ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের যেসব দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেসব দেশে ব্যাপক পাল্টা হামলা চালায় ইরান।

এরপর লেবাননে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যেও সংঘাত শুরু হয়। সর্বশেষ তা ইয়েমেনেও ছড়িয়ে পড়ে। সেখান থেকে ইরান-সমর্থিত হুতিরা সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা, বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে একের পর এক হামলা চালিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর