শিরোনাম :
গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগের আর কোনো স্থান এ দেশে হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চলতি বছর দিনাজপুরে বিজিবির অভিযানে সাড়ে ৪৫ কোটি টাকার পণ্য উদ্ধার ৭ শর্ত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরানের পারমাণবিক প্রস্তাব দেশের রিজার্ভ এখন ৩৪ বিলিয়ন ডলার রুমার দুর্গম পাহাড়ে যাতায়াত সহজ করতে সেনাবাহিনীর ‘সম্প্রীতি এক্সপ্রেস’ ৭ নভেম্বরের নেতৃত্বে জিয়াউর রহমান না থাকলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব থাকত না: সাখাওয়াত ৭ নভেম্বরের চেতনায় ভীত হয়ে দিবসটি পালন বন্ধ করেছিল শেখ হাসিনার সরকার: রিজভী বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের পাঁচ জাহাজের নতুন নাম নারায়ণগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ-ছাত্রলীগের ৪২ জনের নামে মামলা মুন্সীগঞ্জে ৩৪ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ন

মুন্সীগঞ্জে ৩৪ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

প্রতিনিধির নাম / ২ বার পাঠ করা হয়েছে
আপডেট : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬

বগুড়া নিউজ ২৪: দেশের অন্যতম আলু উৎপাদনকারী জেলা মুন্সীগঞ্জ। এখানকার কৃষকের প্রধান অর্থকরী ফসল আলু। এ জেলার প্রান্তিক কৃষক লাভ-ক্ষতির হিসাব না কষে আলু চাষ করে থাকেন।

আলু চাষ তাদের কাছে এ ধরনের নেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। চলতি মৌসুমে জেলায় ৩৪ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে আলুবীজ এবং সার সরবরাহে কঠোর অবস্থান জেলা প্রশাসনের ।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলার আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা গত মৌসুমের আবাদের সমান নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর মধ্যে সদরে ৯৫৮১ হেক্টর, টংগিবাড়ীতে ৯০৭০ হেক্টর, লৌহজংয়ে ৩১০৯ হেক্টর, সিরাজদিখানে ৮৯৫৮ হেক্টর, গজারিয়ায় ১৯৯৮ হেক্টর এবং শ্রীনগরে ১৯৪৪ হেক্টর জমিতে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

ফলন বেশি হওয়ায় এখানকার কৃষক প্রধানত ডায়মন্ড আলু চাষ করে থাকেন। ডায়মন্ড আলুর খাবারে ব্যবহার ছাড়া অন্য কোনো পণ্যে ব্যবহার করা যায় না বলে বাজারে এর চাহিদা কম।

প্রাকৃতিকভাবেও এই আলু বেশি দিন সংরক্ষণ করা যায় না। বাড়িতে সংরক্ষণ করলে পচে যায়। এতে কৃষক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কৃষক চলতি মৌসুমে আলুর পরিবর্তে সরিষা, কালিজিরা, গাজর এবং ধনিয়া চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। গত কয়েক বছর কৃষক এসব ফসলে লাভবান হয়েছে।

সদর উপজেলার আধারা ইউনিয়নের কৃষক আজমির হোসেন বাসসকে জানান, আগামী ১৫/২০ দিন পর থেকে আলু আবাদের জন্য জমি প্রস্তুতির কাজ শুরু হবে। প্রতি বছর প্রায় ৫ একর জমিতে আলু চাষ করি। চলতি মৌসুমে উঁচু জমিতে আলুর পরিবর্তে সিম, টমেটো এবং সরিষা চাষ করবো।

মুন্সীগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. হাবিবুর রহমান বাসসকে জানান, মুন্সীগঞ্জের কৃষক প্রধানত ডায়মন্ড আলু চাষ করে থাকেন। এ আলুর ফলন ভালো হলেও টেকসই কম।

ডায়মন্ড আলুর পরিবর্তে পর্যাপ্ত সানসাইন ও শান্তানা জাতের আলুর বীজ বাজারে রয়েছে। দামেও সাশ্রয়ী। মানের দিক থেকেও এসব আলুবীজ উন্নত। খাবারের পাশাপাশি চিপসসহ অন্যান্য আলুর তৈরি খাদ্যপণ্যে তা ব্যবহার করা যায়।

মুন্সীগঞ্জ জেলার আলুবীজ ও সার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সম্প্রতি এক মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী সতর্ক করে বলেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার ও আলুবীজ বিক্রি এবং কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে ডিলারশিপ বাতিলসহ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সভায় প্রতিবাক্স আলুবীজের সর্বোচ্চ বিক্রয়মূল্য ১৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর