ষ্টাফ রিপোর্টার: বগুড়া মহানগরের সদর থানার সামনে থেকে শাহ ফতেহ আলী ব্রীজের পশ্চিমপ্রান্ত পর্যন্ত যানজট নিরসনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) মোঃ ইব্রাহীম আলী। সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস রোববার (২৫ অক্টোবর) এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।
বগুড়া সদর থানার সামনের ইউলুপে নিত্যদিন যানজট তৈরী হয়। পথচারীদের ভোগান্তি দূর করতে এবং ২নম্বর রেলগেইট এলাকায় মাটিডালীমুখি এবং সাতমাথা দিকের যানজটের চাপ থাকে দিনের শুরু থেকে শেষ সময় পর্যন্ত। সড়কের ওপর যানবাহন রেখে যাত্রী ওঠানামা, সড়কের উপর বিভিন্ন ফলের ভ্রাম্যমাণ দোকান, খাবারের ফেরিওয়ালারা বসে সড়কের অর্ধেক অংশ দখল করে রাখে।
পথচারীরা নির্বিঘ্নে ফুটপাতেও হাটতে পারেন না। রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেল থেকে সদর থানার সামনের ইউলুপ থেকে চাঁদনীবাজার সড়ক হয়ে শাহ ফতেহ আলী বাজারের প্রবেশমুখের গোলচত্ত্বরে এবং ব্রীজের পশ্চিমপ্রান্ত পর্যন্ত ছিল তীব্র যানজট।
পথচারীদের চলাচলে বাধাদূর করতে এবং যান চলাচল নির্বিঘ্নে করতে সন্ধ্যার পর হওয়া এই অভিযানে সড়কের জায়গা এবং ফুটপাত দখল করে থাকা অস্থায়ী ফলের দোকান, ভাজা পোড়ার দোকান, চাঁদনীবাজার সড়কের উভয় পাশে থাকা মশারির দোকানের সামনে থাকা বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী, কাঁচা বাজারের ভাসমান দোকানীদের উঠিয়ে দেওয়া হয়।
ফতেহ আলী বাজারের সামনে থেকে ব্রীজ পর্যন্ত থাকা অটোরিকশা, ব্যাটারি চালিত অটো রিকশা সরিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়াও, ব্রীজের সামনে দোকান বসানোর জন্য ফেরিওয়ালাদের রেখে দেওয়া বড় বড় ইটের ব্লক, পাথরের টুকরা, ক্যারেটসহ কিছু মালামাল রাখার পাত্র করতোয়া নদীর কিনারায় ফেলা দেওয়া হয়।
ওসি মোঃ ইব্রাহীম আলী’র নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত অভিযানে বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবক ও সদর থানার পুলিশ সদস্যরাও অংশ নেন। অভিযান বিষয়ে তিনি জানান, যানজটের তীব্রতা বৃদ্ধি পেলে সদর থানার সামনের সড়ক থেকে আশেপাশের এলাকাগুলোতে এমন অভিযান পরচালনা করা হয়।মানচিত্র দেখুন
যানজট নিরসনে এবং ফুটপাতে পথচারীদের যাতায়াত নির্বিঘ্নে করতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বগুড়া মহানগর বাসীর সড়কে চলাচলে এবং পথচারীদের যাতায়াত সুগম করতে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।