শিরোনাম :
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির কর্মসূচি ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা সানায়ে তাকাইচির বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নেওয়ার সুযোগ এসেছে: প্রধানমন্ত্রী জাপানের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন তারেক রহমান আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ মন্তব্যের প্রতিবাদ, ক্ষমা চাওয়ার দাবি জামায়াত-শিবিরের ‘বাংলাদেশ সোলার এক্সপো’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যব্যবস্থায় দৃশ্যমান পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিদেশি ঋণ পরিশোধ বেড়েছে পুলিশের ২৪ ঘণ্টার অভিযানে ঢাকায় গ্রেপ্তার ৫৪৩ প্রথমবার দ্বিতীয় সন্তানকে প্রকাশ্যে আনলেন দীপিকা-রণবীর
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৬ অপরাহ্ন

বগুড়ায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি : কুড়ি শয্যার ইউনিটে ভর্তি ৩১ রোগী, নতুন ৪৮ জন আক্রান্ত

প্রতিনিধির নাম / ৪ বার পাঠ করা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার : বগুড়ায় ডেঙ্গু পরিস্থিতির আশঙ্কাজনক অবনতি হয়েছে, যার ফলে সরকারি হাসপাতালগুলোতে তীব্র শয্যাসংকট দেখা দিয়েছে। ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত রোগী ভর্তি হওয়ায় চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

বগুড়া সরকারি মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য ২০ শয্যার যে বিশেষ ইউনিট প্রস্তুত করা হয়েছিল, বর্তমানে সেখানে ৩১ জন রোগী ভর্তি আছেন। নির্ধারিত শয্যার চেয়ে অতিরিক্ত রোগী চলে আসায় বাড়তি চাপ সামলাতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বিকল্প ব্যবস্থা করতে হচ্ছে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে আরও ৪৮ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ৪৩ জন এবং বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালে ৫ জন ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে জেলার হাসপাতালগুলোতে সর্বমোট ১০১ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত বগুড়া জেলায় মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬০৮ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৫০৭ জন। জেলায় এখন পর্যন্ত সর্বমোট ২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন, দুটি মৃত্যুই ঘটেছে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে।সরকারি সেবা

জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ১৫ জন এবং শজিমেক হাসপাতালে ১২ জন। এছাড়া শেরপুর উপজেলায় ৮ জন ও ধুনট উপজেলায় ৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া বেসরকারি টিএমএসএস হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫জন রোগী। বর্তমানে বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ৩১জন রোগী, শজিমেক হাসপাতালে ২৯ জন এবং বেসরকারি টিএমএসএস হাসপাতালে ১৬ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন।

বগুড়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মজিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, ওই হাসপাতালে ডেঙ্গু সন্দেহভাজন ও শনাক্ত রোগীদের ভিড় বাড়ছেই। আগে সাধারণ ওয়ার্ডে রোগীদের ডেঙ্গু রোগীদের রেখে চিকিৎসা দিলেও রোগীর সংখ্যা বাড়ায় কিছুদিন আগে ওই রোগীদের জন্য করোনার সময় বিশেষভাবে প্রস্তুতকৃত ১০ শয্যা বিশিষ্ট আইসিইউ ইউনিটকে ২৪ শয্যায় উন্নীত করে ডেঙ্গু ইউনিট হিসেবে ব্যবহার করা হয়।মানচিত্র দেখুন

কিন্তু রোগীদের চাপ আরও বেড়ে যাওয়ায় এখন ওই ইউনিটের বাইরে বারান্দার মত খোলা যে জায়গাটি রয়েছে সেখানেও বেড বসিয়ে ডেঙ্গু রোগী রেখে চিকিৎসা করানো হচ্ছে। যেহেতু ওই জায়গায় বৈদ্যুতিক পাখা নেই তাই আমরা ওখানে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য বৈদ্যুতিক পাখা লাগানোর চেষ্টা করছি।

মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগীদের মধ্যে বর্তমানে পুরুষ ১৮জন, নারী ১২ এবং শিশু একজন রয়েছে। এদিকে বগুড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিদিন সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে মশা নিধন কার্যক্রম চালানো হলেও তেমনভাবে কমছে না মশার উপদ্রব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর